Saturday, February 11, 2017

বাংলাদেশ সম্পর্কে ২য় পর্ব

বন্ধুরা আমার দ্বিতীয় পোস্ট এ তোমাদের সাগতম।বিষয় বাংলার স্বাধীনতা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা

আমরা অনেকেই জানি যে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ই  আগস্ট ভারত নামে দুটি দেশ স্বাধীন হয়। বর্তমানের বাংলাদেশ পূর্বে পাকিস্তানের এক প্রদেশ বা পূর্ব পাকিস্তান হিসাবে পরিচিত ছিল।বিভাজনের পর পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের(বাংলাদেশ) মানুষের সাথে বৈষম্য সুরু করে। সর্বপ্রথম ভাষা নিয়ে বৈষম্য। দেশের ৫০%  এর অধিক জনসংখ্যা বাঙালি হওয়া সত্তেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু কে করা হয় বাঙালিরা সুধু চেয়েছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে কিন্তু পাক সরকার তা করতে চায়নি তাই সেই দাবি মানিয়ে নেওয়ার জন্য জীবন দিতে হয় অনেক বাঙ্গালিকে।পরে শুরু হয় আর বেশি বৈষম্য।শুরু হয় সেনা শাসন অবহেলিত হয় মানবতা ও গণতন্ত্র। দেশের সর্বপেক্ষা জনপ্রিয় জনপ্রিয় দল আওয়ামি লিগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জিতে কিন্তু ক্ষমতা দেওয়ার সময় তারা অনেক অজুহাত দেখায়। পরে বাংলার মানুষ সরকারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাক সরকারের নির্দেশে সেনা বাহিনী বাংলার মানুষের উপর নির্মম অত্যাচার চালায়। এরপর থেকে পাক বাহিনী বাংলার মানুষকে হত্যা করা শুরু করে তাই বাঙ্গালিরা তাদের অসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের নির্দেশ অনুযাই বাঙ্গালিরা শুরু করে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে। যা যুদ্ধের রুপ নেয় এবং নয় মাস চলে। পরে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে। সৃষ্টি হয় এক নতুন দেশের যার নাম দেওয়া হয় বাংলাদেশ। বিশেষভাবে উল্লেখ যোগ্য যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে কয়েক দেশের মানুষের অবদান রয়েছে। যেমনঃ ভারত,রাসিয়া,যুক্তরাজ্য ইত্যাদি।
পরের অংশ ৩য় পর্বে ছাড়া হবে।

No comments:

Post a Comment